চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ (নতুন বাজার)-এ কর্মরত স্টোরকিপার মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক অনিয়ম এবং সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি।
একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একই অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিভাগে প্রভাব বিস্তার করেছেন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলির ক্ষেত্রে প্রভাব খাটানো হয়েছে এবং ভিন্নমত পোষণকারী কয়েকজন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্টোর ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পুরোনো মিটার, সার্ভিস তারসহ বিভিন্ন সরকারি মালামালের সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মিটার পরিবর্তনের পর ফেরত আসা পুরোনো যন্ত্রপাতির হিসাব এবং বাস্তব মজুদের মধ্যে অসঙ্গতি থাকতে পারে বলেও কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা এবং নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়েও কিছু মহলে অসন্তোষ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের মতে, বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা ও নীরবতার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা উচিত।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের একাংশ মনে করেন, অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সম্পদের উৎস এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত সব অভিযোগ অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষ।
লগইন
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতির অভিযোগ, তদন্ত চান অভিযোগকারীরা । ছবি প্রতিনিধি
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!