কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে বসতঘর থেকে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।
রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাবলু মিয়া দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তিনি রিকশার গ্যারেজ ও একটি মেস পরিচালনা করতেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন তারা। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার কথা থাকলেও তারা যাননি।
সোমবার ভোরে বাবলু মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকানো দেখতে পান। পরে চিৎকার দিলে পরিবারের অন্য সদস্যরাও এসে দেখেন বাড়ির সব ঘরের দরজাই বাইরে থেকে বন্ধ। এ সময় ছোট ছেলে একটি দরজা খুলে ঘরের ভেতরে বিছানায় মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পায়।
মরদেহের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি ধারালো ছুরিও উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে বাবলু মিয়াকে বাড়ি বা আশপাশে কোথাও পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পালিয়েছেন নাকি অন্য কোনো ঘটনায় স্বামী অপহৃত হয়েছেন—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত জানা যাবে।
লগইন
ছবিঃ সংগৃহীত
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!