চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আবারও তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। আজ রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন জোবরা গ্রামে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এতে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কয়েক শ শিক্ষার্থী ২ নম্বর গেটে অবস্থান নেন। অপরদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও জড়ো হন। দুই পক্ষ স্লোগান দিতে থাকলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শিক্ষকরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যাম্পাসে নেওয়া হয়।

এর আগের রাতে (শনিবার দিবাগত) একই স্থানে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যা চলে ভোর ৪টা পর্যন্ত।
এ ঘটনায় অন্তত ৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলায় পুলিশের গাড়িসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এক ছাত্রীকে ভবনের দারোয়ান মারধর করলে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে স্থানীয়রা মাইকে ডাক দিয়ে লোকজন জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। তবে স্থানীয়দের দাবি, উল্টো শিক্ষার্থীরাই প্রথমে হামলা চালিয়েছে এবং তাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা বারবার হামলার শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় সন্ত্রাসীরা এমনকি পুলিশের গাড়িও ভেঙেছে। এ ঘটনায় অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!