আব্দুল কাদির, বিশেষ প্রতিনিধি:
চাঁদপুর-হাইমচর ৩ আসনের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ব্যতিক্রমী সৌহার্দ্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমদ মানিক। নির্বাচনে জয়লাভের পর তিনি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে পরাজিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়াকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং মিষ্টিমুখ করান।
অভিনব এই দৃশ্য এলাকায় এক অনন্য বার্তা ছড়িয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বীও সৌজন্যের প্রতিদান হিসেবে বিজয়ী প্রার্থীকে মিষ্টিমুখ করান। এই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের চিত্র দেখে চাঁদপুরবাসীসহ দেশের বিভিন্ন মহল বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। সচেতন মহল মনে করছেন, গত তিন দশক ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ খুব কমই দেখা গেছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যক্তিগত আন্তরিকতা
শেখ ফরিদ আহমদ মানিক দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে শহরের মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। নির্বাচনের আগে তিনি প্রত্যেকটি ভোটারের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন, ভোট চেয়েছেন এবং জনগণের মতামত শুনে তাদের সহমত নিয়ে প্রার্থীতা চালিয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করেছে, জনগণ তার এই আন্তরিকতা ও পরিশ্রমকে সম্মান জানিয়েছে এবং ভোটে যথাযথভাবে সমর্থন দিয়েছে।
সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড
উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত—সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখে শেখ ফরিদ আহমদ মানিক বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। স্থানীয়রা জানান, তিনি বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনগণের পরামর্শকে গুরুত্ব দেন এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেন।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির নতুন বার্তা
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও মানুষের কল্যাণে একসাথে কাজ করার মানসিকতা রাজনীতিকে গ্রহণযোগ্য ও জনগণমুখী করে তুলতে পারে। দুই নেতার সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ভবিষ্যতে এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ ও সহমর্মী করবে।
সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ দুজনকেই এই উদার আচরণের জন্য প্রশংসা করেছেন। রাজনীতিতে সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শনের এই দৃষ্টান্তকে তারা সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উভয় নেতার সার্বিক কল্যাণ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
লগইন
ছবি- সংগৃহীত
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!