গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “নুরের ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা হয়েছে। এর দায় এড়াতে সরকার পারবে না।”
এদিকে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানিয়েছেন, নুর সুস্থ হওয়ার পর তাদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হবে। তিনি অভিযোগ করেন, সেনাসদস্যদের একটি অংশ মবের মতো নুরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে সামরিক আইনে বিচার করতে হবে।
রাশেদ খান আরও বলেন, “আমরা আমাদের কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিং করছিলাম। তখন সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য হামলা চালায়। এটিকে মব বলা যায় না। যদি মব বলা হয়, তবে সেই মব সৃষ্টি করেছে সেনাবাহিনীর ওই সদস্যরা।”
তিনি স্পষ্ট করে জানান, আইএসপিআরের দেওয়া বিবৃতি তারা প্রত্যাখ্যান করছে। কারণ, তাদের কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে, ভেতরে ঢুকে নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করা হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিও ও ছবিতে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে কীভাবে সেনাসদস্যরা ভাঙচুর ও হামলা চালিয়েছে।
রাশেদ খান বলেন, “সেনাবাহিনী আমাদের গর্বের প্রতিষ্ঠান। কিন্তু কয়েকজন ব্যক্তিকে রক্ষা করার জন্য পুরো বাহিনীকে কলুষিত করা হচ্ছে। আমরা সেনাপ্রধানকে ২৪ ঘণ্টার সময় দিয়েছিলাম, কিন্তু এখনো তিনি তার অবস্থান স্পষ্ট করেননি, যা উদ্বেগজনক।”
তিনি নুরের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার দাবি জানান। তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, জড়িত সেনাসদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হবে কিনা তা এখনও অনিশ্চিত।
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!