মোঃ সাইদুর রহমান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই চলছে বেশিরভাগ ওষুধের দোকান।
মির্জাপুর উপজেলায় হাটবাজার ও অলি গলিতে ওষুধের ফার্মেসি রয়েছে হাজার হাজার। এর মধ্যে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে কিছু সংখ্যক ড্রাগ লাইসেন্স নিয়েছে। বিপুল পরিমাণ ফার্মেসি ওষুধ প্রশাসনের নজরদারির বাহিরে রয়েছে।
সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় বাশতৈলবাজার
,ভাদগ্রাম,চামারী ফতেপুর, জার্মুকী, পাকুল্ল্যা গোড়াই,পাথরঘাটা,ওয়ার্শী বাজার, পৌরসভার কুমুদিনী হাসপাতাল রোড়,মির্জাপুর মসজিদ মার্কেট, বাইপাস গোড়াল রোড়,এলাকায় ফার্মাসিস্ট ও ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই অহরহ ওষুধ বিক্রি করে যাচ্ছে। অধিকাংশ ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্ট না থাকায় অল্প শিক্ষিত লোক দিয়ে চলছে ব্যবসা।
অনেক সময় চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না বুঝে ভুল ঔষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে রোগীদের।
এসব এলাকার ফার্মেসির মূল গ্রাহক হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ছোটো খাটো অস্ত্রপচারও করেন তারা। মনগরা নিজের ইচ্ছামতো ওষুধ দিচ্ছেন রোগীদের। এতে করে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন নিম্ন আয়ের সাধারণ রোগীরা। আরো খবর নিয়ে দেখা যায় যে, মুদি দোকানগুলোতে জ্বর, ব্যথা, সেক্সুয়াল, নিম্ন মানের ওষুধ বিক্রি করছে দোকানিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈধ ব্যবসায়ী বলেন, ওষুধ প্রশাসন যদি নিয়মিত এগুলো তদারকি করেন তাহলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রেহাই পেতে পারেন মির্জাপুরবাসী।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক আবু জাফর মোঠোফোনে গণমাধ্যমকে জানান, আমরা নিয়মিত তদারকি করার চেষ্টা করছি। জরুরি ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অনুমোদনহীন ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!