logo

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

House-1, Road-2, Metro Housing Ltd, (Beside RAB-2 Headquarter), Mohammadpur, Dhaka-1207

নিউজ রুম

+8801711701332, +8801766004470

মার্কেটিং এন্ড সেলস

+8801877756675

logo

BDCN24 হল সংবাদ, মতামত এবং বিনোদনের জন্য একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। এটি পাঠক এবং শ্রোতাদের রাখার জন্য একটি ২৪/৭/৩৬৫ এর প্ল্যাটফর্ম

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

House-1, Road-2, Metro Housing Ltd, (Beside RAB-2 Headquarter), Mohammadpur, Dhaka-1207

নিউজ রুম

+8801711701332, +8801766004470

মার্কেটিং এন্ড সেলস

+8801877756675

হোম - আন্তর্জাতিক- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাময়িক স্থগিত

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাময়িক স্থগিত

পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসা এই সিদ্ধান্তের বাইরে

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাময়িক স্থগিত

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক নথির বরাতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত পর্যটক, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

পররাষ্ট্র দপ্তরের নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা বা কল্যাণ সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই পুনর্মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রদান কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা আবেদনপ্রক্রিয়া স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও পরিকল্পনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, যেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি, মূলত সেসব দেশের জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব দেশের বেশির ভাগই আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার।

পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করাই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। এমন বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ ঠেকানো হবে, যারা ভবিষ্যতে মার্কিন করদাতাদের অর্থে পরিচালিত কল্যাণ কর্মসূচির ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন।

এ সিদ্ধান্তের পেছনে গত নভেম্বরে জারি করা একটি নির্দেশনার ভূমিকা রয়েছে। ওই নির্দেশনায় মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদনকারীদের আর্থিক সক্ষমতা, স্বাস্থ্য, বয়স, পারিবারিক অবস্থা, শিক্ষা, দক্ষতা এবং অতীতে সরকারি সহায়তা নেওয়ার ইতিহাস কঠোরভাবে যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বহু পরিবারকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। কারণ পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, স্থায়ী বসবাস কিংবা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। নতুন নিয়মে আবেদনকারীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাই এবং ইংরেজিতে সাক্ষাৎকার নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের আইনে আগে থেকেই ‘পাবলিক চার্জ’ হওয়ার ঝুঁকি যাচাইয়ের বিধান ছিল, তবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়। বর্তমান সিদ্ধান্ত সেই কঠোরতারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশ্লেষকরা।

তবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ও ২০২৮ অলিম্পিক গেমস সামনে রেখে পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসার চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব ভিসা এই স্থগিতাদেশের বাইরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়; বরং ভিসা প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়নের অংশ।

মন্তব্য করুন ( 0 )

মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!

আরও খবর দেখুন

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাময়িক স্থগিত

পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসা এই সিদ্ধান্তের বাইরে

বিডিসিএন ২৪, নিজস্ব প্রতিনিধি

image

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক নথির বরাতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত পর্যটক, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

পররাষ্ট্র দপ্তরের নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা বা কল্যাণ সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এই পুনর্মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রদান কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা আবেদনপ্রক্রিয়া স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও পরিকল্পনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, যেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি, মূলত সেসব দেশের জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব দেশের বেশির ভাগই আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার।

পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করাই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। এমন বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ ঠেকানো হবে, যারা ভবিষ্যতে মার্কিন করদাতাদের অর্থে পরিচালিত কল্যাণ কর্মসূচির ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন।

এ সিদ্ধান্তের পেছনে গত নভেম্বরে জারি করা একটি