এস এম পারভেজ:
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ডাকাতরা দুটি বসতবাড়িতে হানা দিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়।
হাইমচর উপজেলার ৬ নম্বর চরভৈরবী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাড়া বগুড়া এবং লক্ষ্মীপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দুটি বাড়িতে প্রবেশ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন পাড়া বগুড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মরন আলী আখনের ছেলে মো. শহিদুল আখন এবং তার পাশের বাড়ির বাসিন্দা মো. নওয়াব আলী বেপারী।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মো. শহিদুল আখন জানান, গভীর রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে থাকার সময় হঠাৎ গেট ভাঙার শব্দে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় মুখ বাঁধা ও অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল ডাকাত গেট ও দরজার লক ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। চিৎকার করার আগেই ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে বেঁধে ফেলে এবং অস্ত্রের ভয় দেখায়।
তিনি আরও জানান, ডাকাতরা ঘরের আলমারি ভেঙে তার ছেলের বিয়ের জন্য দীর্ঘদিন ধরে জমানো নগদ ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতদের হুমকির কারণে পরিবারের কেউই প্রতিরোধ করার সাহস পাননি।
একই রাতে পাশের বাড়ির মো. নওয়াব আলী বেপারীর বাড়িতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ডাকাতরা ওই বাড়ির গেট ভেঙে ঘরে ঢুকে দুই নারীর কাছ থেকে একটি স্বর্ণের চেইন, একটি রুপার চেইন ও নুপুর ছিনিয়ে নেয়।
ডাকাতির খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে সংবাদ পেয়ে রাতেই হাইমচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
লগইন
হাইমচরের চরভৈরবীতে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!