বিদ্যা অন্বেষণে মা সরস্বতী দেবীর পূজা করা হয়। জ্ঞান বিজ্ঞানে ও মানব উন্নয়নে বিশ্বকে পরিশুদ্ধ করে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য মায়ের আগমন ঘটে। ভক্তরা মায়ের পূজা আর্চণার মাধ্যমে সুন্দর ভবেশ্বর বিনির্মাণের প্রত্যাশায় আরাধনা করে থাকেন। একরকম উৎসবের আমেজে বিদ্যা ও সংগীতের দেবী পূজা স্বরস্বতির এই পুজায় নানা রকম প্রতিযোগিতায় বিদ্যা দেবীর বিদ্যা আহরণের চিন্হ স্বরূপ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে উপহার বিতরণ করেন নারী বেইজ সংগঠন ‘বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খান।
২৪ই জানুয়ারি পুরান বাজারের ৩নং ওয়ার্ডের পাল পাড়ায় শিব শক্তি সংঘের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নানা রকম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিদের মাঝে বিজয়ীর পক্ষ থেকে নানা রকম উপহার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন করা হয়।
মন্দির কমিটির সভাপতি সম্রাট পালের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তানিয়া ইশতিয়াক খান। তিনি বলেন - ঐতিহ্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, শব্দ দূষণ যেনো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং সনাতনী কৃষ্টি কালচার সাত্ত্বিক ভাবে পুজা আর্চনা সম্পন্ন করতে হবে। কোন অবস্থাতে অপসংস্কৃতি কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
সরস্বতী পূজা কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতীক। এই পূজার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম জ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হবে—এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেন সকল ধর্মেই জ্ঞান চর্চার কথা বলা হয়। জ্ঞান চর্চা সার্বজনীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আশিক খান, জনতা ব্যাংক পুরান বাজার শাখার ম্যানেজার বলাই চন্দ্র সরকার
পল্লী সেবক সংঘের দূর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের অর্থ উপদেষ্টা রনি পোদ্দার, ব্যবসায়ী সুদিপ সাহা, শিব শক্তি সংঘের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর সরকার,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অন্তর পাল, সহ-সভাপতি শুভ ঘোষ,সহ-সভাপতি শিপন কর্মকার, সহ-সভাপতি রনি কুরি
সহ-সভাপতি সিনিবাস রায়, সহ-সভাপতি অনিক পাল,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন দে,যুগ্ম সম্পাদক অমিত পাল,উপদেষ্টা লিটন পাল, উপদেষ্টা মানিক পাল সহ শিবশক্তি সংঘের সকল সদস্যবৃন্দ। সনাতনী ধর্মে হাজার হাজার বছর ধরে সরস্বতী দেবীর পূজা আর্চনা করে জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রসারে মানব সভ্যতা কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমরা দেখি এটি সকল ধর্মেই এর চর্চা রয়েছে। সকল ধর্মেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাম্যের কথা বলে আছে। আসুন আমরা পরস্পর পরস্পরকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করি। পৃথিবীটাকে শান্তিময় করে গড়ে তুলি।
লগইন
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!