logo

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

House-1, Road-2, Metro Housing Ltd, (Beside RAB-2 Headquarter), Mohammadpur, Dhaka-1207

নিউজ রুম

+8801711701332, +8801766004470

মার্কেটিং এন্ড সেলস

+8801877756675

logo

BDCN24 হল সংবাদ, মতামত এবং বিনোদনের জন্য একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। এটি পাঠক এবং শ্রোতাদের রাখার জন্য একটি ২৪/৭/৩৬৫ এর প্ল্যাটফর্ম

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

House-1, Road-2, Metro Housing Ltd, (Beside RAB-2 Headquarter), Mohammadpur, Dhaka-1207

নিউজ রুম

+8801711701332, +8801766004470

মার্কেটিং এন্ড সেলস

+8801877756675

হোম - জাতীয়- বজ্রপাতে মৃত্যু, তিন মাস পর কবর থেকে মরদেহ চুরি

বজ্রপাতে মৃত্যু, তিন মাস পর কবর থেকে মরদেহ চুরি

অভিযোগ পেলে তদন্তের আশ্বাস পুলিশের

বজ্রপাতে মৃত্যু, তিন মাস পর কবর থেকে মরদেহ চুরি

জরিনা বেগম রহমানের হাট গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের স্ত্রী। গত ২৭ মে সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির রান্নাঘরে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছিল।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় স্বামী আলম হাওলাদার দেখতে পান, জরিনা বেগমের কবরের মাটি খোঁড়া। বাঁশ-চাটাই সরানো অবস্থায় ছিল। কবরের ভেতরে মরদেহ কিংবা কাফনের কাপড়—কোনোটিই পাওয়া যায়নি।

আলম হাওলাদার বলেন, ফজরের সময় কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে স্থানীয়দের ডেকে এনে কোদাল দিয়ে কবরের মাটি ভরাট করা হয়। ঘটনার পর থেকে রাতে ঘর থেকে বের হতে এবং কবরস্থানের পাশ দিয়ে যেতে ভয় লাগছে বলেও জানান তিনি।



জরিনা বেগমের ছেলে মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই কবরস্থানে আরও ৮-১০টি কবর রয়েছে। কিন্তু দুর্বৃত্তরা শুধু তার মায়ের কবরটিই খুঁড়েছে। প্রতিদিন মায়ের কবর জিয়ারত করে সান্ত্বনা পেতেন তিনি। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন মিজানুর রহমান।

নিহতের ননদ মরিয়ম বেগম জানান, গত ২৭ মে সন্ধ্যায় জরিনা বেগম রান্নাঘরে বসে কাঁঠালের বিচির খোসা ছাড়াচ্ছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে তিনি ছিটকে পড়েন। তার সামনে থাকা তিনটি নারিকেল গাছসহ মোট পাঁচটি গাছ জ্বলে যায় বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

কুয়াকাটার হোটেল থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, ৩ সঙ্গী পুলিশ হেফাজতে

কুয়াকাটার হোটেল থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, ৩ সঙ্গী পুলিশ হেফাজতে

জরিনা বেগমের আত্মীয় মো. মোতালেব হোসেন হাওলাদার বলেন, আশপাশের কোনো কবরেই হাত দেওয়া হয়নি। শুধু তার মামির কবরটি লক্ষ্য করা হয়েছে। ফকির-তান্ত্রিকরা জাদুর জন্য এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।

স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. ফয়জুল্লাহ এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ইসলামে মৃত ব্যক্তির মরদেহের অসম্মান করা হারাম। জীবনে প্রথম এমন ঘটনার কথা শুনেছেন বলেও জানান তিনি।



মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. আব্দুল কাদের বলেন, বজ্রপাতে মারা যাওয়া মরদেহে আলাদা কোনো বিশেষ উপাদান থাকে না। তার মতে, এ ধরনের ধারণা সম্পূর্ণ কুসংস্কার। ফকিররা জাদুমন্ত্রের জন্য এমন কাজ করে থাকতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য টিপু বেপারি। তিনি বলেন, জরিনা বেগম খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তার মরদেহ চুরি মেনে নেওয়া যায় না। দোষীদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।




আরও পড়ুন

রাণীশংকৈলে একটি কবরস্থান থেকে একই পরিবারের ৪ টি কঙ্কাল চুরি, এলাকায়  আতঙ্ক

রাণীশংকৈলে একটি কবরস্থান থেকে একই পরিবারের ৪ টি কঙ্কাল চুরি, এলাকায়  আতঙ্ক

স্থানীয় কলেজের প্রভাষক জসিম উদ্দিন বলেন, আদর্শনগর ইউনিয়নে এ ধরনের ঘটনা এর আগে ঘটেনি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। রাতে কবরস্থানে পাহারার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

তবে কাজীরহাট থানার ওসি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মরদেহ চুরির বিষয়ে তারা কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন ( 0 )

মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!

আরও খবর দেখুন

বজ্রপাতে মৃত্যু, তিন মাস পর কবর থেকে মরদেহ চুরি

অভিযোগ পেলে তদন্তের আশ্বাস পুলিশের

বিডিসিএন ২৪, নিজস্ব প্রতিনিধি

image

জরিনা বেগম রহমানের হাট গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের স্ত্রী। গত ২৭ মে সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির রান্নাঘরে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছিল।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় স্বামী আলম হাওলাদার দেখতে পান, জরিনা বেগমের কবরের মাটি খোঁড়া।

বাঁশ-চাটাই সরানো অবস্থায় ছিল। কবরের ভেতরে মরদেহ কিংবা কাফনের কাপড়—কোনোটিই পাওয়া যায়নি।

আলম হাওলাদার বলেন, ফজরের সময় কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে স্থানীয়দের ডেকে এনে কোদাল দিয়ে কবরের মাটি ভরাট করা হয়। ঘটনার পর থেকে রাতে ঘর থেকে বের হতে এবং কবরস্থানের পাশ দিয়ে যেতে ভয় লাগছে বলেও জানান তিনি।



জরিনা বেগমের ছেলে মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই কবরস্থানে আরও ৮-১০টি কবর রয়েছে। কিন্তু দুর্বৃত্তরা শুধু তার মায়ের কবরটিই খুঁড়েছে। প্রতিদিন মায়ের কবর জিয়ারত করে সান্ত্বনা পেতেন তিনি। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন মিজানুর রহমান।

নিহতের ননদ মরিয়ম বেগম জানান, গত ২৭ মে সন্ধ্যায় জরিনা বেগম রান্নাঘরে বসে