বিকেলের কোমল রোদ আর সবুজে ঘেরা পরিবেশে প্রতিদিন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়াম। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশ নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছে শিশু, কিশোর ও তরুণরা।
বিকেলের কোমল রোদ আর সবুজ ঘাসে মোড়ানো প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিদিন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়াম। শহরের ব্যস্ততা ও যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূরে সরিয়ে শিশু, কিশোর ও তরুণদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এই মাঠ। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশ নিয়ে তারা কাটায় আনন্দঘন ও উচ্ছ্বাসপূর্ণ সময়।
প্রতিদিনের মতো আজও স্টেডিয়ামের বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠজুড়ে দেখা গেছে কিশোরদের প্রাণবন্ত ফুটবল খেলা। দলবদ্ধভাবে খেলার সময় তাদের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ, প্রতিযোগিতার মনোভাব এবং আনন্দঘন পরিবেশ। মাঠের চারপাশে দর্শক হিসেবে উপস্থিত অন্য কিশোর ও তরুণদের করতালি ও উল্লাসে পুরো পরিবেশ আরও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের মতে, বিকেলের সময় চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়াম শিশু-কিশোরদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে তারা মোবাইল ফোন ও অনলাইন আসক্তি থেকে অনেকাংশে দূরে থাকছে এবং সুস্থ বিনোদনের একটি নিরাপদ সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি খেলাধুলা তাদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অভিভাবকদের মতে, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে শিশু-কিশোরদের মাঠমুখী করা অত্যন্ত জরুরি। খেলাধুলা তাদের শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মনোবল বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস গঠন এবং সামাজিক দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করে। তাই নতুন প্রজন্মকে সুশৃঙ্খল ও সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নিয়মিত খেলাধুলা তরুণদের মাদক, অপরাধ ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে এটি নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলাবোধ, সহনশীলতা ও দলগত চেতনা গঠনে সহায়ক। তাই পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
লগইন
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!